ঢাকা ০৯:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬, ২৭ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বিশ্বনাথ স্পোর্টস অর্গানাইজেশনের ‘৩য় আন্তঃ ইউনিয়ন ফুটবল টুর্ণামেন্ট শুরু Logo তিন বার ঈদ ও দুই বার হজ পালন করা হবে যে বছরে Logo সাবেক এমপি আব্দুল হামিদ আর নেই Logo সমাজে নীতি-নৈতিকতার ঘাটতি আমাদের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করছে: তাহসিনা রুশদীর Logo পরিপূর্ণ গণতান্ত্রিক দেশ গঠনে বিএনপির বিকল্প নেই: ইলিয়াসপত্নী লুনা Logo বিশ্বনাথে ‘ব্রাইট ফিউচার স্কুল’র যাত্রা শুরু Logo বেগম জিয়ার মৃত্যুতে তাহসিনা রুদশদীর’সহ বিএনপি নেতৃবৃন্দের শোক Logo বিশ্বনাথে সাংবাদিকদের সাথে ১০ দলীয় জোটের এমপি প্রার্থী মুনতাছির আলীর মতবিনিময় Logo বিশ্বনাথে দুইশ বছরের গ্রামীণ ঐতিহ্য ‘পলো বাওয়া’ উৎযাপন Logo সিলেট-২ আসনে ইলিয়াস আলীর স্ত্রী-পুত্রসহ মনোনয়নপত্র জমা দিলেন ৯ প্রার্থী

তিন বার ঈদ ও দুই বার হজ পালন করা হবে যে বছরে

  • ধর্ম ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৩৭:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

ছবি: সংগ্রহ

বিশ্বের মুসলমানরা একই ইংরেজি বছরে তিনবার ঈদ উদযাপন ও দুইবার হজ পালনের বিরল অভিজ্ঞতা পেতে যাচ্ছেন। জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব অনুযায়ী, ২০৩৯ সালে একই বছরে দুইটি ঈদুল আজহা, একটি ঈদুল ফিতর ও দুইটি হজ পালন করবেন মুসলিমরা। সব মিলিয়ে সে বছর তিনটি ঈদ হবে।

সৌদি আরবের খ্যাতনামা জলবায়ু ও জ্যোতির্বিজ্ঞান বিশেষজ্ঞ ড. আবদুল্লাহ আল-মিসনাদ জানিয়েছেন, এই বিরল ঘটনা ঘটছে হিজরি বা চন্দ্রবর্ষের সঙ্গে সৌরবর্ষভিত্তিক গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের ব্যবধানের কারণে। ইসলামি বর্ষপঞ্জি প্রতি বছর গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার বা ইংরেজি বছরের তুলনায় প্রায় ১০ থেকে ১১ দিন এগিয়ে থাকে।

তার ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ২০৩৯ সালের ৬ জানুয়ারি প্রথম ঈদুল আজহা পালিত হবে। এটি হবে হিজরি ১৪৬০ সনের ১০ জিলহজ, অর্থাৎ পবিত্র হজের সমাপ্তির দিন এবং কোরবানির ঈদ।

এরপর প্রায় ১২ মাস পর আবারও হিজরি বর্ষপঞ্জি পূর্ণ একটি চক্র সম্পন্ন করবে। ফলে একই গ্রেগরিয়ান বা ইংরেজি বছরের ২৬ ডিসেম্বর আবার হজ মৌসুম শেষ হবে এবং পালিত হবে দ্বিতীয় ঈদুল আজহা, যা হবে হিজরি ১৪৬১ সনের ১০ জিলহজ। অর্থাৎ, একই বছরে দুটি পৃথক হজ অনুষ্ঠিত হবে, যা ইতিহাসে অত্যন্ত বিরল ঘটনা হিসেবে বিবেচিত।

আরও তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, এই দুই ঈদের আগেই দুটি পৃথক আরাফার দিনও পালিত হবে। আরাফার দিন হজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যেদিন হাজিরা আরাফাতের ময়দানে সমবেত হয়ে দোয়া ও ইবাদতে মগ্ন থাকেন।

এই দুই ঈদুল আজহার মাঝামাঝি সময়ে ২০৩৯ সালের ১৯ অক্টোবর ঈদুল ফিতর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে সে বছর মুসলমানরা রোজা, হজ, কোরবানি, ঈদের নামাজ ও আনন্দ-উৎসব মিলিয়ে এক অনন্য ধর্মীয় চক্রের মধ্য দিয়ে যাবেন।

২০৩০ সালে দুইবার রমজান

চন্দ্রবর্ষের এই স্থানান্তরের প্রভাব শুধু হজ বা ঈদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। পবিত্র রমজান মাসেও এমন ঘটনা ঘটতে যাচ্ছে।

জ্যোতির্বিদদের হিসাব অনুযায়ী, ২০৩০ সালে মুসলমানরা একই গ্রেগরিয়ান বা ইংরেজি বছরে দুইবার রমজান পালন করবেন। একবার জানুয়ারিতে এবং আরেকবার ডিসেম্বরে। এর আগে সর্বশেষ এমন ঘটনা ঘটেছিলো ১৯৯৭ সালে প্রায় ৩৩ বছর আগে।

বিশেষজ্ঞরা জানান, হিজরি ক্যালেন্ডার চাঁদের গতির ওপর নির্ভরশীল এবং এতে বছর হয় ৩৫৪ বা ৩৫৫ দিনের। অন্যদিকে গ্রেগরিয়ান বা ইংরেজি বর্ষপঞ্জি সূর্যভিত্তিক এবং এর দৈর্ঘ্য ৩৬৫ বা ৩৬৬ দিন। এই পার্থক্যের কারণেই ইসলামী মাসগুলো প্রতি বছর প্রায় ১০ থেকে ১১ দিন করে এগিয়ে আসে।

ফলে নির্দিষ্ট সময় পরপর এমন ব্যতিক্রমী ঘটনা ঘটে, যখন একই বছরে একাধিক রমজান, হজ কিংবা ঈদ একসঙ্গে দেখা যায়, যা ধর্মীয় ও জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক উভয় দিক থেকেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও কৌতূহলোদ্দীপক। -সূত্র : গালফ নিউজ

 

সূত্র: bvnews24.com

বিশ্বনাথ স্পোর্টস অর্গানাইজেশনের ‘৩য় আন্তঃ ইউনিয়ন ফুটবল টুর্ণামেন্ট শুরু

তিন বার ঈদ ও দুই বার হজ পালন করা হবে যে বছরে

আপডেট সময় ০৮:৩৭:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬

বিশ্বের মুসলমানরা একই ইংরেজি বছরে তিনবার ঈদ উদযাপন ও দুইবার হজ পালনের বিরল অভিজ্ঞতা পেতে যাচ্ছেন। জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব অনুযায়ী, ২০৩৯ সালে একই বছরে দুইটি ঈদুল আজহা, একটি ঈদুল ফিতর ও দুইটি হজ পালন করবেন মুসলিমরা। সব মিলিয়ে সে বছর তিনটি ঈদ হবে।

সৌদি আরবের খ্যাতনামা জলবায়ু ও জ্যোতির্বিজ্ঞান বিশেষজ্ঞ ড. আবদুল্লাহ আল-মিসনাদ জানিয়েছেন, এই বিরল ঘটনা ঘটছে হিজরি বা চন্দ্রবর্ষের সঙ্গে সৌরবর্ষভিত্তিক গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের ব্যবধানের কারণে। ইসলামি বর্ষপঞ্জি প্রতি বছর গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার বা ইংরেজি বছরের তুলনায় প্রায় ১০ থেকে ১১ দিন এগিয়ে থাকে।

তার ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ২০৩৯ সালের ৬ জানুয়ারি প্রথম ঈদুল আজহা পালিত হবে। এটি হবে হিজরি ১৪৬০ সনের ১০ জিলহজ, অর্থাৎ পবিত্র হজের সমাপ্তির দিন এবং কোরবানির ঈদ।

এরপর প্রায় ১২ মাস পর আবারও হিজরি বর্ষপঞ্জি পূর্ণ একটি চক্র সম্পন্ন করবে। ফলে একই গ্রেগরিয়ান বা ইংরেজি বছরের ২৬ ডিসেম্বর আবার হজ মৌসুম শেষ হবে এবং পালিত হবে দ্বিতীয় ঈদুল আজহা, যা হবে হিজরি ১৪৬১ সনের ১০ জিলহজ। অর্থাৎ, একই বছরে দুটি পৃথক হজ অনুষ্ঠিত হবে, যা ইতিহাসে অত্যন্ত বিরল ঘটনা হিসেবে বিবেচিত।

আরও তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, এই দুই ঈদের আগেই দুটি পৃথক আরাফার দিনও পালিত হবে। আরাফার দিন হজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যেদিন হাজিরা আরাফাতের ময়দানে সমবেত হয়ে দোয়া ও ইবাদতে মগ্ন থাকেন।

এই দুই ঈদুল আজহার মাঝামাঝি সময়ে ২০৩৯ সালের ১৯ অক্টোবর ঈদুল ফিতর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে সে বছর মুসলমানরা রোজা, হজ, কোরবানি, ঈদের নামাজ ও আনন্দ-উৎসব মিলিয়ে এক অনন্য ধর্মীয় চক্রের মধ্য দিয়ে যাবেন।

২০৩০ সালে দুইবার রমজান

চন্দ্রবর্ষের এই স্থানান্তরের প্রভাব শুধু হজ বা ঈদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। পবিত্র রমজান মাসেও এমন ঘটনা ঘটতে যাচ্ছে।

জ্যোতির্বিদদের হিসাব অনুযায়ী, ২০৩০ সালে মুসলমানরা একই গ্রেগরিয়ান বা ইংরেজি বছরে দুইবার রমজান পালন করবেন। একবার জানুয়ারিতে এবং আরেকবার ডিসেম্বরে। এর আগে সর্বশেষ এমন ঘটনা ঘটেছিলো ১৯৯৭ সালে প্রায় ৩৩ বছর আগে।

বিশেষজ্ঞরা জানান, হিজরি ক্যালেন্ডার চাঁদের গতির ওপর নির্ভরশীল এবং এতে বছর হয় ৩৫৪ বা ৩৫৫ দিনের। অন্যদিকে গ্রেগরিয়ান বা ইংরেজি বর্ষপঞ্জি সূর্যভিত্তিক এবং এর দৈর্ঘ্য ৩৬৫ বা ৩৬৬ দিন। এই পার্থক্যের কারণেই ইসলামী মাসগুলো প্রতি বছর প্রায় ১০ থেকে ১১ দিন করে এগিয়ে আসে।

ফলে নির্দিষ্ট সময় পরপর এমন ব্যতিক্রমী ঘটনা ঘটে, যখন একই বছরে একাধিক রমজান, হজ কিংবা ঈদ একসঙ্গে দেখা যায়, যা ধর্মীয় ও জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক উভয় দিক থেকেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও কৌতূহলোদ্দীপক। -সূত্র : গালফ নিউজ

 

সূত্র: bvnews24.com